বাড়ির অমতে গিয়ে খুলেছিলেন চায়ের দোকান! আজ মাসে বিশাল টাকা উপার্জন করছেন যুবতী

নিশা হুসেন চা তৈরি করেই সফলতা অর্জন করে সমস্ত মহিলাদের কাছে এক অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছেন। প্রথমে তিনি কম্পিউটার অপারেটরের চাকরি,

করলেও তা ছেড়ে দিয়ে তিনি শুরু করতে চান নিজের ব্যবসা। সেই উদ্দেশ্যেই নিশা একটি চায়ের স্টল তৈরি করে চা বিক্রি করতে থাকেন।

সেখান থেকেই শুরু নিশার স্বপ্নের সফর! আজ তিনি পুরো রাজকোটে “দ্য চাইওয়ালি” নামে বিখ্যাত হয়ে উঠেছেন। আসলে বলতে গেলে চা হচ্ছে এমন একটি সুস্বাদু পানীয় যা প্রতিদিন আমাদের প্রয়োজন হয়। আচ্ছা নিশার এমন একটি উদ্যোগে আজ বেশ খুশী নেট বাসি।

তিনি চা তৈরি করতে খুব পছন্দ করতেন বলেই নিশা তাঁর শখকে ব্যবসায় রূপান্তরিত করেছেন। যখন তিনি এটি শুরু করেছিলেন, তখন নিশা নিশ্চিত ছিলেন যে এতে অবশ্যই সফলতা পাবেন তিনি। নিশা দ্বাদশ শ্রেণির পড়াশোনা শেষ করেই, রাজকোটের সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে কাজ শুরু করেন। কিন্তু এই কাজে নিশা খুব একটা তৃপ্তি পেতেন না। বেশি পড়াশোনা না করার কারণে, ভালো চাকরি পাবেন না এটা ভেবে তিনি চা তৈরির কাজ শুরু করেছিলেন। যদিও, এই কাজে প্রথমে তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে মিলছিল না সায়।

চা বিক্রি করেও যে কোটিপতি হওয়া যায় তা প্রমাণ করে দিলো আরো একবার নিশা। তবে জানা গিয়েছে পরে নিশার এত ভাল প্রচেষ্টা দেখে তার পরিবারের সকলেই একে একে এগিয়ে এসেছিল তার সঙ্গ দিতে। এই প্রসঙ্গে নিশা বলেছেন যে, “আমার ছোটবেলার বন্ধুরা যখন বাড়িতে আসত, তখন আমার হাতে চা খেতে তারা খুব পছন্দ করত। সবাই সব সময় বলতো তোমার হাতে চা খুব ভালো। এসব ভেবে চায়ের স্টল শুরু করার সিদ্ধান্ত নিই”।

তবে প্রথমদিকে ব্যবসায়িক জ্ঞানের অভাবের জন্য “টি পোস্ট” নামের ক্যাফেতেও কিছুদিন কাজ করেছিলেন নিশা। আর আজ প্রতিদিন তিনি চা তৈরি করে ৩০০০ টাকা পর্যন্ত আয় করেন! তার হাতের সুস্বাদু চায়ের জন্য ধীরে ধীরে বেশ পরিচিত হয়ে উঠছেন নিশা। প্রতিদিন তাঁর দোকানের কর্মচারীর সংখ্যা ও বেশ ভালোই হয়। এমন একটি খবর সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার হতেই তুমুল গতিতে ভাইরাল হয়ে গেছে সকলের মাঝে।